চলমান পরিস্থিতি এবং আগামী ইতিহাস
মুকাচৌংরা:
দেশটির নাম ছিল কুসুমপুর,ন্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি পরিচালিত আলোয়ভরা গৌরবময় এক রাষ্ট্র।ভালবাসা স্বপ্ন আর বাক স্বাধীনতায় ভরা,গড়ে উঠেছিল সারা শহরের দেয়ালিকায় ঐতিহ্য ও ইতিহাসের ছিল তুঁলির আঁছড়।উন্নয়নের জোয়ারে বিশ্বের চোখে প্রাচ্যেও রাণী উপাধী দিয়েছিল।হত্যা সন্ত্রাস চাঁদাবাজি ছিল জিরো টলারেন্সে।বিশ্বের দরবারে স্বাধীন কুসুমপুর হিসাবে যখন মাথা উচু করে দাঁড়ালো,তখনই দেশী বিদেশী মৌলবাদ ধর্মান্ধের ষড়যন্ত্রে ম্যাটিকুলাস ডিজাইন এপ্লাই করে ক্ষমতা দখল করল।আর চাপিয়ে দিল ‘অনির্বাচিত সরকার’ নামক শৃঙ্খল,তারা বলেছে জনগনের কল্যানে তারা এসেছে।
সরকার বদলের পরপরই শুরু হয় অন্যায় । স্বাধীন মতপ্রকাশ নিষিদ্ধ, পত্রিকা বন্ধ, প্রতিবাদ মানে জেল । মানুষ আতঙ্কে চুপ, কেবল চোখের ভাষায় প্রতিবাদ । যারা কথা বলে, তারা মবজাষ্টিসের স্বীকার হয়ে যায় । জনতা ধীরে ধীরে অভ্যস্থ হল নিঃশব্দ ভয়ে।কিন্তু একদিন মিরা নামক এক স্কুল শিক্ষিকা কাঁপা কাঁপা হাতে বোর্ডে লিখলেন “গনতন্ত্র মানে মানুষের মত প্রকাশের অধিকার”পরদিন তাকে গ্রেপ্তার করা হল্র ।মিরা হারিয়ে গেল কিন্তু তাঁর বাক্যটা রয়ে গেল ছাত্রদের খাতায়।
ক্ষমতাবান দেশদ্রোহিরা আপন অপকর্ম ও দেশ দ্রোহিতা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সংবিধান ছুড়ে ফেলে দেশ চালানোর জন্য একটা সনদ তৈরী করল ।যাতে করে আগামী কোন সরকার দেশদ্রোহিতার বিচার করতে না পারে। সেই রকম আইন ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশে খন্দকার মোস্তাক ইনডেমনিটি নামের অধ্যাদেশ সৃষ্টি করেছিল।২৮ বছর পরে সেই কালো আইন বাতিল করে সবাইকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছিল।কুসুমপুরের সরকার সেই ইতিহাস মনে হয় জানে না। কুসুমপুরের দেশদ্রোহী কচি খোকারা বয়সের তুলনায় বেশী বুঝে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা তলানীতে নিয়ে গেল।বজ্রকন্ঠে শ্লোগান তুলে কে কার কে কার কে কার ,তুই মোর মুই তোর, তুই মোর মুই তোর। শিক্ষিকার বোর্ড লিখা বাণী নিয়ে যখন ছাত্ররা রাস্তায় নেমে যাবে তখন দেশ দ্রোহীদের নতুন শ্লোগান হবে। কে কার কে কার কে কার , যে যার সে তার, যে যার সে তার, অবশেষে আন্তর্জাতিক চাপ, গণআন্দোলন আর একতা মিলে সরকারের ভীত কাঁপিয়ে দেবে। নতুন করে ঘোষণা হবে নির্বাচনের, আর ক্ষমতা ফিরে আসবে জনগণের হাতে।
বেঁচে যাওয়া শিক্ষিকা মিরা, শরীরে দাগ থাকলেও মুখে হাসি, কারণ সে জানে, সত্য কখনও মরে না। শিক্ষা: অন্যায় যতই শক্তিশালী হোক, একদিন মানুষের ঐক্যের কাছে হার মানবেই।কারণ প্রকৃতি কখনও কাঊকে ক্ষমা করে না্

