খুলনার বটিয়াঘাটা এসিল্যান্ড অফিসে অভিনব পদ্ধতিতে অর্থ নেওয়ার চেষ্টা, মামলার প্রস্তুতি।

সেখ রাসেল, ব্যুরো চিফ, খুলনা:
খুলনার বটিয়াঘাটা এসিল্যান্ড অফিসের নাজির সাইফুল ইসলাম এর কাছে অজ্ঞাত নামা এক ব্যক্তি ০১৭২৭ ৫৩০১০৩ নং মোবাইল ফোনে ২০,০০০/- টাকা চাদা চেয়েছেন।
বিষয়টি জানতে চাইলে বটিয়াঘাটা এ্যাসিলেন্ড মো: শোয়েব শাত-ঈল- ইভান বলেন, সাইফুল্লাহ, আমাদের উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির, তাকে ফোন করে টাকা চেয়েছেন একজন। পরিচয় দিয়েছেন, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চাকরি করেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটা টাইপকৃত অভিযোগ এর ছবি পাঠিয়ে, তারা ফোনে জানিয়েছেন, এই অভিযোগ আটকে দেয়া হবে, ২০ হাজার টাকা দিলে। নাজির পরবর্তীতে টাকা দিতে অস্বীকার করেন এবং উনি টাকা চাওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে ফোনেই কলকারীকে জানায়।
আমরা ধারণা করছি, কলকারী প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের কেউ নন। কারণ তার প্রেরিত কাগজের কোথাও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের কোনো সিল বা স্বাক্ষর ছিলো না। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে, আমরা অফিশিয়ালি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।
আমাদের সহকারী দপ্তর সম্পাদক ও খুলনা জেলা ব্যুরো চিফ সেখ রাসেল কলারকে ফোন মাধ্যমে বিষয়টি জানতে চাইলে এলোমেলো কথা বলে ফোন কেটে দেই।
ইতিমধ্যে বটিয়াঘাটার এসিল্যান্ড গত ২ জুন বটিয়াঘাটায় যোগদান করে বারভুইয়া মৌজায় ভূমিদস্যুরা সরকারি খাল অবৈধভাবে বাধ দিয়ে এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করলে তিনি তৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধ কেটে এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন করেন। এছাড়া সুরখালির নাইনখালি, ভান্ডার কোটের গোগের খাল, বালিয়াডাঙ্গার নোয়াপাকিয়া খাল সহ বিভিন্ন খালের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করেন।
বর্তমানে এধরণের কিছু চক্র বের হয়েছে, বিগত দিনে কোন কোন অফিসে দূর্নীতি হতো সেই সেই অফিসকে টার্গেট করে বিভিন্ন পরিচয়ে বিভিন্ন ভাবে চাঁদা দাবি করছে। সকলে সতর্ক থাকতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *