খুলনার লবনচরা থানায় কারী গাজী নামে এক ব্যাক্তির নামে ড্রেজারের মাল চুরির অভিযোগ

সেখ রাসেল, ব্যুরো চিফ, খুলনা:
খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলাধিন লবনচরা থানার মাথাভাঙ্গা এলাকার ভূমিহীন পল্লীর রেজাউল গাজীর পুত্র কারী গাজী একই এলাকার আনোয়ারা বেগম নামের এক মহিলার একটি ৬” আনলোড ড্রেজারের মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগী জানান,কারী গাজী ড্রেজার মালিকের প্রতিবেশি ও দুঃ সম্পর্কের আত্তীয়।কারী স্ব -ইচ্ছায় কাজ করার জন্য ড্রেজার মালিক আনোয়ারা বেগমের বাড়ীতে যায় এবং ড্রেজারে থাকার প্রস্তাব দেয়।কিন্তু ড্রেজার মালিক তাকে নিতে চায় না।তবুও সে যায়। উক্ত আনলোড থেকে তারা ০৯/০৫/২৫ ইং তারিখের আগে ড্রেজার থেকে ডিজেল এবং ০৯/০৫/২০২৫ তারিখের পরে ১টি গ্যাসের চুলা যার মুল্য ১৫০০/(পনের শত) টাকা,প্রায় ৬০ লিঃডিজেল যার মুল্য ৬,৬০০/(ছয় হাজার ছয়শত) টাকা,প্রায় ১৫,০০০/ (পনের হাজার) টাকার বিভিন্ন ধরনের রেঞ্জ পাতি,১টি কলসি যার মুল্য ৫০০/(পাচঁশত) টাকা,দুটি লোহার পাইপ যার মুল্য ১,০০০/ (এক হাজার)টাকা,প্লাস্টিকের পাইপ যার মুল্য ২০০০/(দুই হাজার)টাকা, এঙ্গেল যার মুল্য ১৫০০/ (পনেরো শত) টাকা,লোহার প্লেট যার মুল্য ৪০০০/ (চার হাজার) টাকা,১ টি ডায়নামা যার মুল্য ১৮,০০০/ (আঠারো হাজার) টাকা,এ্যাম্পোলার যার মুল্য ৩,০০০/(তিন হাজর)টাকা,ডায়নামা ও ব্যাটারি সংযোগের তার যার মুল্য ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা সহ বিভিন্ন ধরনের জিনিস পত্র কারী গাজী সহ আরো ৪ (চার)জন চুরি করিয়া বিক্রি করে যাহার মুল্য আনুমানিক ১০( দশ হাজার)টাকা এছাড়া ভুক্তভোগীর বাড়ী থেকেও আরো মালামাল চুরি করে যার আনুমানিক মুল্য ২০,০০০/ (বিশ হাজার)টাকা।ড্রেজার মালিক আনোয়ার বেগম আরো বলেন,”কারী গাজীকে গ্যাসের চুলা চুরির বিষয় জিজ্ঞেস করলে সে বলেছিল,আমাকে ড্রেজারের সাথে হাত বেধে নিয়ে যায়।অন্য মালামালের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সে বলে আমি জানি না। আমরা সড়ল মনে কারীর সকল কথা বিশ্বস করি। কিন্তু কারীকে কে ডিজেল সহ হাতেনাতে ধরি।এসময়ে সে মাপ চায়,আর বলে মামুন আমাকে বিক্রি করতে বলছে।পরবর্তীতে ড্রেজার রূপসায় থাকা কালিন এ্যাঙ্গেল চুরি করে পাইপের মধ্যে রাখে, যা অন্য স্টাপ রিজভী ও হোসেন দেখে ফেলে।সে সময়ও বলে আমি একটা ভুল করেছি। তখন থেকেই আমাদের পুরো সন্দেহ হয়। এবিষয়ে কারীর পিতা মাতার কাছে জানালে তারা বলে,আমরা এসব বিষয় জানিনা,তোমরা যা পারো কারীর সাথে বোজো।চুরির বিষয় কারীর সাথে থাকা আর একজন স্টাপকে জিজ্ঞেস করলে,সে কারীর সাথে যা যা চুরি করেছে সেগুলো স্বীকার করে।০১/০৭/৩০২৫ তারিখ বিকাল ৬টার দিকে কারীকে আমার ভাগ্নে রিজবী আমার বাড়িতে নিয়ে আসে।চুরি হওয়া মসলের বিষয় অন্য স্টাপের ভিডিও দেখায়।তখন চুরি হওয়া মালামালের বিষয় তাকে জিজ্ঞেস করলে সে সব মালামালের কথা স্বীকার করে।কোথায় কি মাল বিক্রি করেছে, কে কে সাথে ছিল তাও স্বীকার করে।পরে পুলিশ আসছে এ কথা শুনে সে পালিয়ে।”এবিষয় ০১/০৭/২০২৫ রাতে আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে লবনচরা থানায় একটি অভিযোগ করেন। তিনি এই চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার সহ এই চোরের আইনগত শাস্তির দাবি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *