স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বে না রাখার কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতি

সেখ রাসেল, সহকারী দপ্তর সম্পাদক, অনলাইন ডেস্ক:
কাজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তদারকি করেছে মন্ত্রণালয়ের ট্যাগ ফোর ‌সে কারণে এই শত শত কোটি টাকা দুর্নীতি ও হরিলুট হয়েছে। এখানে যদি স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দেখভাল করার দায়িত্বে থাকতো তাহলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ট্যাগ ফোর্স এই দুর্নীতি করার সুযোগ পেত না।

বেশী দুর্নীতির কারণ ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দেশের বিভিন্ন অরাজকতার সৃষ্টি হয়। নতুন সরকার মেগা প্রকল্প সহ বিভিন্ন প্রকল্পের খোঁজখবর নিতে নিতে কয়েক মাস চলে যায় দেশের পরিস্থিতিও শান্ত হতে বেশ কিছুদিন সময় লেগে যায়। সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে এই সমস্ত রাঘব বোয়াল পানি উন্নয়ন বোর্ডের ‌কর্মকর্তারা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও ট্যাগ ফোর্স নিজেদের আখের গোছাতে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ধ্বংস করেছে একটি মেগা প্রকল্প। যার অর্থ ছিল ১০৪৪ কোটি টাকা। এটি ছিল শুধুমাত্র গাবুরা ইউনিয়নের জন্য। আর বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়নে রাস্তা সংস্কার জিও বস্তা ডাম্পিং ব্লক ‌‌স্থাপন কাজের জন্য জাপান সরকারের দেওয়া ৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দ।
কাজ করেছে ‍ঠিকাদার কাজ দেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা আর ট্যাগ ফোর্স এরা ব্যতীত ওখানে অন্য কোন মানুষের দেখভাল করার সুযোগ দেয় নি স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এই মেগা প্রকল্পের ও বুড়ি গোয়ালিনী ‌ইউনিয়নের, জাপান সরকারের দেওয়া অর্থের প্রকল্পে দেখভাল করতে না দেওয়াই ট্যাক্স ফোর্স ঠিকাদার আর এই সমস্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা যা করেছে সেটি জায়েজ। এভাবেই সর্বনাশ করেছে সরকারের শত শত কোটি টাকা আর টেকসই মজবুত ভেরি বাদ ‌থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও বুড়ি গোয়ালিনী ‌ইউনিয়নের প্রায় লক্ষ্য দিক জনগণ।
সবচেয়ে বড় দুর্নীতি জিও বস্তা ডাম্পিং কারণ এই বস্তায় বালিভরে নদীতে ফেলে দিলে আর কোন প্রমাণ থাকে না ঠিক সেই কাজটিতে টার্গেট করে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ট্যাক্স ফোর্স যৌথভাবে সেই কাজটাই করেছে। গাবুরা ‌ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম এই প্রতিবেদককে জানান, আমার ইউনিয়নে এত বড় একটা মেগা প্রকল্পের কাজ চলমান অথচ আমি চেয়ারম্যান কাজের কোন অগ্রগতি কাজের গুণগত মান কোথায় কত বস্তা ডাম্পিং ‌হল কোথা থেকে মাটি আসবে? কোথায় নিয়ে মাটি ফেলাবে? কিছুই আমি খবর রাখি না আমাকে কর্তৃপক্ষ কোন কিছু জানায় না। তিনি আরো বলেন জি ও বস্তা ভরার সময় বালির একটা পরিমাপ আছে সেটিও কোন তোয়াক্কা ‌করা হয়নি। এছাড়া কয়েকবার এখানে বালির গুণগত মান নিয়ে কথা উঠে কাজ বন্ধ হয়েছিল। আবার দেখলাম সেই বালি দিয়ে জিও বস্তা ভোরে ডাম্পিং করা হয়েছে। প্রতিদিন কোথায় কত বস্তা ডাম্পিং হয়েছে সে হিসাব ‌শুধুমাত্র পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর ট্যাগ ফোর্স খবর রাখে বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান মাসুদুল। চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম আরো বলেন এখানে শুধু জিওবস্তা ডাম্পিং এ দুর্নীতি হয়নি দুর্নীতি হয়েছে সব খাতে এখনো হচ্ছে আমাদের কিছু বলার নেই আমাদের ওখানে কোন প্রয়োজনও পড়ে না আমাদের ওখানে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ঠিকাদার টেক্সাস ‌‌কেহ ডাকেও না, তিনি আরো বলেন আমরা যে এখানের জনপ্রতিনিধি জনগণ আমাদেরকে ভোট দিয়েছে জনগণ আমাদেরকে সবকিছু দেখভাল করার দায়িত্ব দিয়েছে সেটি পানি উন্নয়ন বোর্ড মনে করে ‌না কি করব করার কিছু নেই শুধু তাদের সাথে দেখা হলে রাস্তায় সালাম বিনিময় করে চলে যায় এই হচ্ছে তাদের আমাদের সাথে দায়িত্ব। গাবুরা ইউনিয়নের পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরী কাজ করা একজন ‌ঠিকাদার মিজানুর রহমান বলেন ভাই এত বড় পুকুর চুরি আর দুনিয়ার কোথাও হতে পারেনা কারণ ৫ই আগস্ট সরকার অদল বদল এর সময় বস্তা ডাম্পিংয়ে লক্ষ লক্ষ বস্তা ডাম্পিং না করে কাগজপত্র সমপরিমাণ দেখিয়ে শত শত কোটি টাকা চোখের সামনে লুটপাট করে নিয়ে গেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর ট্যাগ ফোর্স,, তিনি আরো বলেন আমরা জানতাম টেক্সফোর্স ঘুষ খায় না কিন্তু সরকারদল বদল এর সময় ফাঁকা পেয়ে এই শত শত কোটি টাকা ট্যাক্স ফোর্সের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাতিয়ে নিয়েছে। তিনি আরো বলেন আমরা স্থানীয় লোক আমাদের ওই কাজের ধারেপাশে মোটেও ভিড়তে দেওয়া হয়নি স্থানীয় কোন লোককে তোয়াক্কা না করে এই সীমাহীন দুর্নীতি করেছে। আমরা সেই ১৯৭১ সাল হইতে গাবুরা ইউনিয়ন একটি দ্বীপ ‌ইউনিয়ন ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাসে ডুবতে ডুবতে এসেছি অনেক জল্পনা-কল্পনার পরে সরকার আমাদের কথা মাথায় রেখে আমাদেরকে বাঁচানোর জন্য একটি মেগা প্রকল্প দিয়েছিল যাতে হবে টেকসই মজবুত ভেরি বাদ। তিনি আরো জানান এই ভেরিবাদ যাতে ধসে নদীতে না যায় সে কারণে নদী দিয়ে লক্ষ লক্ষ জিও বস্তা ডাম্পিংয়ে ধরা হয় মেজারমেন্টে ঠিক সেই জায়গাটাই লক্ষ লক্ষ বস্তা ডাম্পিং না করে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও ট্যাক্স ফোর্স তাহলে আমাদের টেকসই মজবুত ভেড়িবাদের টেকসই কিভাবে হবে তলায় যদি জিও বস্তার ঠিক না থাকে তাহলে উপরের মাটি কিভাবে থাকবে।

কথা হয় এলাকার শতাধিক সাধারণ মানুষের সাথে তাদের একটাই দাবি সরকারের প্রতি এই সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে গ্রেফতারপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা আরো জানান এই কাজের সাথে জড়িত পানি উন্নয়নে‌‌ বোর্ডের ‌কর্মকর্তা ঠিকাদার ট্রাক ফোর্স যারা জড়িত ছিল তাদের আর্থিক সমা সম্পত্তির খোঁজখবর নিতে হবে শুধু তাদের নয় তাদের স্ত্রী সন্তান আত্মীয়-স্বজন সকলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তলপ করে দেখতে হবে তারা কে কত টাকার মালিক কে কত বেতন পায় কার কত টাকা ব্যাংকে থাকলে মানায় কার কত টাকা ব্যাংকে থাকলে সন্দেহজনক মনে হয় সেগুলোকে এক্ষুনি নেক নজর ‌দিতে হবে সরকারকে। তাহলে থলের ‌বিড়াল বেরিয়ে আসবে। তারা আরো জানান এই প্রকল্পে যদি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসন ত দারো কি করত তাহলে এত বড় পাহাড় সমান দুর্নীতি হতো না।

স্থানীয়দের দাবি এই সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের এক্ষুনি গ্রেফতার করে এদের বিরুদ্ধে আইন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক আর বাকি কাজটুকু সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে শেষ করার জন্য এলাকাবাসী সরকারের কাছে বারবার জোর দাবি জানাচ্ছে। গাবুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মেগা প্রকল্পের দুর্নীতির সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত রয়েছে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শুভেন্দু বিশ্বাস উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদার উপসহকারী প্রকৌশলী প্রিন্স রেজা উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম উপসহকারী প্রকৌশলী রমিত হোসেন উপসহকারী পরকৌশলী শফিকুল ইসলাম। এখানে ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে শুধু বস্তা ডাম্পিংয়ের দুর্নীতি নয় তিনি দুর্নীতি করেছেন খাল খননেও ‌একটি খাল খনন করতে মেগা প্রকল্পের ২কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ ছিল সেখানে ফরিদুল ইসলাম মাত্র ১৩ লক্ষ টাকার মাটি কেটে তড়িঘড়ি করে ওইখানে পানি উত্তোলন করে ডুবিয়ে দিয়েছে যাতে কোনো অপরাধ ধরতে না পারে।
এদিকে বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়নে জাপান সরকারের দেওয়া ৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দ এখানে মেজারমেন্ট রয়েছে নয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার জিওবস্তা ডাম্পিং ১০ লক্ষ ৫০ হাজার ব্লক স্থাপন এবং বিশ কোটি টাকা রাস্তা সংস্কার। এখানে আগেই প্রতিবেদনে ‌বলা হয়েছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নির্বাহী প্রকৌশলী এই প্রতিবেদককে বলেছেন ইউনিয়নের নয় লাখ ৫০ হাজার জিও বস্তা ডাম্পিং করার কথা থাকলেও ডাম্পিং হয়েছে মাত্র ৬ লক্ষ বস্তা বাকি তিন লাখ পঞ্চাশ হাজার বস্তা সরকারি বাজার ধরে ৩৭০ টাকা প্রতি বস্তা সেই হিসেবে ১২ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও ট্যাক্স ফোর্স আত্মসাৎ করেছে যাহা এলাকার মানুষের কাছেও আয়নার মত পরিষ্কার হয়ে গেছে। তদন্ত হলে সবকিছুর প্রমাণ এলাকাবাসী দিবে বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন,, আর ব্লক নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে মাল মেটিয়াস না থাকায় ব্লক নির্মাণ কাজে বিলম্ব হচ্ছে কিন্তু মাটির কাজে পুরাতন রাস্তা কেটে কেটে স্লোভ মিলিয়ে মেজারমেন্টের সাথে দেখিয়ে দিচ্ছে। এ ব্যাপারে কথা হয় বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামের সব দুর্নীতি ঘুষ বাণিজ্য আমরা ধরে ফেলেছি ইতিপূর্বে আমি আমার ইউনিয়নের জনগণকে নিয়ে প্রতিকার চেয়ে মানববন্ধন সংবাদ সম্মেলন প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রধান করেছি কিন্তু কোন প্রতিকার হচ্ছে না ‍,, তিনি আরো বলেন এর সাথে প্রত্যক্ষভাবে আরো জড়িত রয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর রাদ লিমিটেডের ঠিকাদাররা। তিনি আরো বলেন এই প্রকল্পের ঠিকাদাররা আমার কিছু সম্পত্তিও সরকারকে ভুল ধারণা দিয়ে ডিসিআর নিয়ে আমাকে দখল সুতো ‌করেছে এ ব্যাপারে আমি অতি শীঘ্রই আইনের আশ্রয় যাব। তিনি বলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বর্তমান স্বত্বাধিকারী সবুজ খানের কাছে আমি কিছুই না আমি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে অথচ এত বড় কাজ আমার ইউনিয়নে হচ্ছে দেখা তো দূরে যাক আমার কথা বলারও অধিকার নেই তাদের কাছে,, তারাই বালি উঠাচ্ছে তারাই বস্তা ভরছে তারাই বস্তা গুনছে তারাই বস্তা ডাম্পিং করছে তাদেরই লোকজন মাটি কাটছে তাদের এই লোকজন পুরাতন রাস্তা কেটে কেটে মিলাচ্ছে আমাকে কোন কিছুই জানায় না। তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার বস্তা বিক্রয় করে উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ট্যাগ ফোর্স ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বলেন ঘটনা সম্পূর্ণ সত্যি কারণ ওরা যেটা করেছে সেখানে আমাদের জনপ্রতিনিধি স্থানীয় প্রশাসন তদারকি ‌করার জন্য কাউকে কমিটিতে রাখেনি সরকারের রথ বদলের সুযোগে সীমাহীন দুর্নীতি করেছে বলে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম সহ বুড়ি গোয়ালিনী ‌ইউনিয়নের শতশত সাধারন মানুষ এর সত্যতা স্বীকার করেছে। বিষয়টি নিয়ে এই প্রতিবেদক ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন লিখে আসছেন এবং এই প্রতিবেদক এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের পানি উপদেষ্টা মহোদয়ের সাথে দফায় দফায় কথা বলেছেন পানি উপদেষ্টা মহোদয় আশ্বাস দিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলার গাবুরা ‌ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের দেওয়া এক হাজার চল্লিশ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে এ খবর আমরা পেয়েছি তাছাড়া ওই একই জেলার বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়নের জাপান সরকারের দেওয়া ৯৭কোটি টাকা হরিলোট হয়েছে এখন ঈদের ছুটি চলছে ছুটির পরে তদন্ত কমিটি করে অভিযোগ প্রমাণ হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের চাকরি থাকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়ে গ্রেফতার করা হবে তবুও মেগা প্রকল্প ও জাপান সরকারের অর্থ এক টাকা অনিয়ম অন্তর্বাটিকালীন সরকার বরদাস্ত করবে না ।

অন্য ‍দিকে বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের একজন পরিচালক মহোদয়ের সাথে কথা হয়েছে এই প্রতিবেদকের তিনি বলেছেন যাবতীয় পেপারের কাটিং দিয়ে একটি অভিযোগ ছুটি চলে গেলে আমাদের অফিসে নিয়ে আসেন আমরা অতি দ্রুত তদন্ত করব আমরা এর আগেও একবার ওই মেগা প্রকল্পে তদন্তে গিয়েছিলাম কিন্তু সরকার রথ বদলের পরে এত বড় পাহাড় সমান দুর্নীতি হয়েছে বিষয়টি গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *