শ্যামনগরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের মেগা প্রকল্পের ২৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে এক কর্মকর্তা ভোর রাতে লোপাট

সেখ রাসেল, সহকারী দপ্তর সম্পাদক, অনলাইন ডেস্ক:
শ্যামনগর উপজেলার গাবরা ‌ইউনিয়নের মেগা প্রকল্পের কাজে ঠিকাদারদের সাথে যোগ সাজছে কাজের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি করে ২৫ লক্ষ টাকা নিয়ে শ্যামনগরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম কাগজপত্রে ঈদের ছুটি না নিয়ে ভোর রাত্রে লোপাট।
শ্যামনগরের গাবুরা ‌ইউনিয়নের টেকসই মজবুত ভেড়ি বাদের মেগা প্রকল্পের জিওবস্থা ড্যাম্পিং এ ট্যাগ ফোর্সের সাথে তাল মিলিয়ে ৫৫ হাজার বস্তা ডাম্পিং না করে উক্ত বস্তা টাকা আত্মসাৎ করেছে উপসহকারী পরকৌশলী ফরিদুল ইসলাম যার চঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে বিষয়টি সকলের অবগতির জন্য জানানো হয়েছে, বুড়ি গোয়ালিনী 97 কোটি টাকার কাজ থেকে ২৩ হাজার বস্তা ডাম্পিং না করে গাবুরা ইউনিয়নের চলমান মেগা প্রকল্পের এক ঠিকাদারের কাছে প্রতি বস্তা ৯০ টাকা করে বিক্রয় করেছে উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম বিষয়টি নিয়ে আজ পানি উপদেষ্টা মহোদয় বরাবর অনলাইনে এলাকাবাসী অভিযোগ দায়ের করেছে । প্রাপ্ত তথ্য জানা যায় সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে টেকসই মজবুত ভেড়িবাদের জন্য সরকার ১০৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিল এবং বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেড়িবাদ সংস্কারের জন্য জাপান সরকার ৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়, গাবুরা ইউনিয়নের দশটি ‌প্যাকেজ ও বুড়ি গোয়ালে ইউনিয়নের সমগ্র কাজ পরিচালনা করার জন্য সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড শ্যামনগর উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলামকে দায়িত্ব দেন,, ফরিদুল ইসলাম কাজের তদারকিতে ‍থাকা ট্যাগ ফর্সের সাথে যোগাযোগ করে গাবুরা থেকে ৫৫ হাজার জিও বস্তা ডাম্পিং না করে প্রত্যেকটি বস্তা ৯০ টাকা দরে বিক্রয় করে দিয়েছে আরেক ঠিকাদারের কাছে বিষয়টি এলাকাবাসীর কাছে চঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টা নিয়ে এলাকাবাসী বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসনিকভাবে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে,, এছাড়া বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়নের জাপান সরকারের দেওয়া 97 কোটি টাকার প্রকল্পের ড্যাম্পিং কাজের ২৩ হাজার বস্তা টেক্সফোর্সের সাথে যোগাযোগ করে প্রতি বস্তা ৯০ টাকা দরে বিক্রয় করে দিয়েছে, এই সমস্ত টাকার বড় এক অংশ ২৫ লক্ষ টাকা নিয়ে সরকারি ছুটি না নিয়ে আজ ভরে ‌উপসহকারী প্রকৌশলী শ্যামনগর কর্মসংস্থান থেকে লোপাট হয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করলে উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলামের আকর্ষিক চলে যাওয়ার বিষয়টি কেহ বিস্তারিত খবর রাখে না এ ব্যাপারে ফরিদুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়, বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়নের ঠিকাদার আর রাত লিমিটেডের শত অধিকারী সবুজ খানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি, এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা নির্বাহী পুরকৌশলী সালাহউদ্দিন আহমেদের সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিয়ে দেখা যায় তার ফোনটি বন্ধ রয়েছে, গাবুরা ইউনিয়নের ও বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়নের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কাজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণ কাজের অনিয়মের বিষয় নিয়ে মানববন্ধন সংবাদ সম্মেলন উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি সহ বিভিন্ন প্রতিবাদ করে আসছে। এই দুটি কাজের প্রধান দুর্নীতিবাজ উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে এবং এর সাথে যারা জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ‍বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী মাননীয় পানি উপদেষ্টা বরাবর অনলাইনে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে পানি উপদেষ্টা মহাদয়ের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি এখনো অফিসে যাইনি আজ সরকারি ছুটি খোঁজ নিয়ে দেখছি এমন অভিযোগ যদি এসে থাকে আমি একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করে দেব যদি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হয় তাহলে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি সহ এর সাথে যারা সম্পৃক্ত রয়েছে সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *