নির্বাচন কবে হবে সেটা বড় প্রশ্ন নয়। বরং নির্বাচন সুষ্ঠ হবে কিনা এটাই প্রশ্ন। আর এর উত্তর হচ্ছে “না”। আগামীর নির্বাচন সুষ্ঠ হবে না।

বিভাগীয় প্রতিনিধি খুলনা।
এম এ জলিল
ভারতের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী এদেশের সেনাবাহিনীর ভেতরে থাকা ভারতের দালালেরা আবারো একটা পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপিকে কয়েকটি শর্তের সাপেক্ষে ক্ষমতায় আনতে যাচ্ছে।

শর্তগুলো হল:
০১) আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করা যাবে না।
০২) পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত হতে দেয়া যাবে না।
০৩) ভারত-বাংলাদেশের মাঝে অবৈধ চুক্তিগুলো বাতিল করা যাবে না তবে চুক্তিগুলোতে কিছুটা সংস্কার করা হতে পারে।
০৪) চীনকে কোনভাবেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কোনরকম প্রজেক্ট দেয়া যাবে না। যেমন তিস্তা। সেই সাথে চট্টগ্রামেও চীনকে কোন একসেস দেয়া যাবে না।
০৫) সর্বদা ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে যেভাবে আওয়ামীলীগ নিত।

উপরোক্ত শর্তগুলোর বিনিময়ে ক্ষমতায় আসার সুবর্ন সুযোগটি বিএনপি লুফে নিয়েছে। এর জন্যই নির্বাচন নির্বাচন করে অস্থির হয়ে গেছে। এর জন্যই বিএনপি চুপ্পুকে সরাতে চায় না। কারন রাষ্ট্রপতির অধীনে সেনাবাহিনী। আর সেনাবাহিনীর ভেতরকার ভারতীয় দালালগুলোই বিএনপিকে আওয়ামী-ভার্শন-২ বানিয়ে ক্ষমতায় আনবে। সুতরাং আগামীতে চুপ্পু ভারতের পক্ষে গেম খেলবে। এর জন্যই ওয়াকার চুপ্পুকে রেখে দিয়েছে এবং বিএনপি সেটা সমর্থন করেছে।

সবাই সতর্ক থাকেন। আগামীর নির্বাচন যদি ভারতের প্রেসক্রিপশন মত হয়ে যায় তবে আরো একবার বাংলাদেশের সূর্য ডুবে যাবে যেই সূর্যটি হাজারো রক্তের বিনিময়ে উদিত হয়েছিল ৫ আগষ্ট,২০২৪ এ। আগামী নির্বাচনে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ গুরুত্বপূর্ন বলে মনে করছি।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *