বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ৭ বছর কারাদণ্ড

সেখ রাসেল, সহকারী দপ্তর সম্পাদক, অনলাইন ডেস্ক:
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের শাস্তি সর্বোচ্চ সাত বছর করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সংশোধনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘কেবিনেট নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের সংশোধন অ্যাপ্রুভ করেছে। এতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কেউ প্রতারণা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছর করা হয়েছে।’সংশোধিত আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এতে বলাৎকারের নতুন সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। নতুন দুইটা ডিএনএ ল্যাব করতে যাচ্ছে।’ঈদ উদ্‌যাপনের সময় একদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণার বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, আগামী ৩ এপ্রিল প্রধান উপদেষ্টার নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া চৈত্র সংক্রান্তিতে ৩ পার্বত্য জেলায় ছুটি থাকবে।শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে অস্ট্রেলিয়ান হোম মিনিস্টার জানিয়েছেন, বাংলাদেশিদের জন্য যে ভিসা প্রসেসিং সেটা ঢাকা থেকে হবে।’ কিনি বলেন, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জানানো হয়, বিভিন্ন সেক্টরে সরকারি পদ খালি আছে ১ লাখ ৭২ হাজারটি।চীন বাংলাদেশ থেকে প্রচুর ফল আমদানি করতে চায় জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, ‘চীন আমাদের দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ আম, কাঁঠাল ও পেয়ারা আমদানি করতে চায়। চীনা রাষ্ট্রদূত ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এ কথা জানিয়েছেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *